আবু হাসান শাহরিয়ার:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া পরস্পরকে দলীয় ইফতার পার্টিতে আমন্ত্রণ করেছেন৷ রাজনৈতিক শিষ্টাচার হিসেবে বিষয়টি ইতিবাচক হলেও খবর হিসেবে গৌণ৷ ততক্ষণ পর্যনত্ম গৌণ, যতক্ষণ না দুই নেত্রীর কোনও একজন আমন্ত্রণরক্ষা করছেন৷ গৌণ খবরটিই তখন হয়ে উঠবে শীর্ষ খবর৷ আর দুই নেত্রীই আমন্ত্রণরক্ষা করলে তো কথা নেই- পূরণ হবে জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা৷ এরকম একটি খবর বাংলাদেশের মানুষকে একদিনের জন্য হলেও স্বসত্মিতে রাখবে৷ স্বসত্মির বাতাস বইবে আমাদের গুমোট রাজনীতিতেও৷
এবার প্রাসঙ্গিক অন্য কথা-
৪ আগস্ট বিএনপির এবং ৬ আগস্ট আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টি মূলত জোটগতভাবে দল দুটির শক্তিপ্রদর্শনের মহড়া৷ সেই মহড়ায় একজন আরেকজনকে আমন্ত্রণ জানিয়ে দুই নেত্রী পরস্পরকে পরীক্ষায় ফেলেছেন৷ প্রথম আমন্ত্রণটি এসেছে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে এবং মিডিয়ায়ও বিএনপির ইফতার পার্টির ঘোষণাই আগে এসেছে৷ অনতিপরবর্তীকালে আওয়ামী লীগও দলের ইফতার পার্টির ঘোষণা দেয় এবং দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ এবার পুরো বিষয়টি একটু বিশেস্নষণ করা যাক৷ মুজিবকন্যা শেখ হাসিনাকে রীতিমতো অগি্নপরীক্ষায় ফেলেছেন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া৷ কেমন? এ যেন টাইব্রেকারের পর সাডেন ডেথে খেলার নিষ্পত্তি- কিক মিস করলে প্রথম দলের মহা বিপত্তি- খেলা চলে যাবে প্রতিপক্ষের পায়ে৷ তখন গোল করতে পারলেই দ্বিতীয় দলের জয় (তবে না-করতে পারলে প্রথম দল আবার সুযোগ পাবে)৷ অর্থাত্ ইফতার-রাজনীতিতে জয়ী হতে চাইলে ৪ আগস্ট আমন্ত্রণরক্ষা করে বিএনপির ইফতার পার্টিতে হাজির না-থেকে উপায় নেই মুজিবকন্যার৷ তিনি যদি আমন্ত্রণরক্ষা না-করেন, বল চলে যাবে প্রতিপক্ষের দখলে- আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টিতে হাজির হলেই খালেদা জিয়া জয়ী৷
তবে একজনের জয় অন্যজনের পরাজয় নয়, এ খেলায় জনগণের প্রত্যাশা- ড্র৷ দুই নেত্রী পরস্পরের আমন্ত্রণরক্ষা করলেই শুধু এ প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে৷ একদিন স্বসত্মিতে থাকতে পারে বাংলাদেশ৷
পুনশ্চ: এতদিন ঈদকার্ড ও ইংরেজি-বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাকার্ডসহ দুই নেত্রী পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানাতেন ডাকযোগে; কখনও বা বাহক মারফত৷ এবার তারা এক ধাপ এগিয়ে ইফতারের আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন দলীয় নেতাদের মাধ্যমে৷ আরেকটু এগিয়ে দুই নেত্রী কি পরস্পরকে টেলিফোনেও ইফতার পার্টির আমন্ত্রণ জানাতে পারেন না? সময় কিন্তু এখনও ফুরিয়ে যায়নি৷ http://www.amadershomoy1.com/content/2011/08/01/news0964.htm
এবার প্রাসঙ্গিক অন্য কথা-
৪ আগস্ট বিএনপির এবং ৬ আগস্ট আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টি মূলত জোটগতভাবে দল দুটির শক্তিপ্রদর্শনের মহড়া৷ সেই মহড়ায় একজন আরেকজনকে আমন্ত্রণ জানিয়ে দুই নেত্রী পরস্পরকে পরীক্ষায় ফেলেছেন৷ প্রথম আমন্ত্রণটি এসেছে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে এবং মিডিয়ায়ও বিএনপির ইফতার পার্টির ঘোষণাই আগে এসেছে৷ অনতিপরবর্তীকালে আওয়ামী লীগও দলের ইফতার পার্টির ঘোষণা দেয় এবং দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ এবার পুরো বিষয়টি একটু বিশেস্নষণ করা যাক৷ মুজিবকন্যা শেখ হাসিনাকে রীতিমতো অগি্নপরীক্ষায় ফেলেছেন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া৷ কেমন? এ যেন টাইব্রেকারের পর সাডেন ডেথে খেলার নিষ্পত্তি- কিক মিস করলে প্রথম দলের মহা বিপত্তি- খেলা চলে যাবে প্রতিপক্ষের পায়ে৷ তখন গোল করতে পারলেই দ্বিতীয় দলের জয় (তবে না-করতে পারলে প্রথম দল আবার সুযোগ পাবে)৷ অর্থাত্ ইফতার-রাজনীতিতে জয়ী হতে চাইলে ৪ আগস্ট আমন্ত্রণরক্ষা করে বিএনপির ইফতার পার্টিতে হাজির না-থেকে উপায় নেই মুজিবকন্যার৷ তিনি যদি আমন্ত্রণরক্ষা না-করেন, বল চলে যাবে প্রতিপক্ষের দখলে- আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টিতে হাজির হলেই খালেদা জিয়া জয়ী৷
তবে একজনের জয় অন্যজনের পরাজয় নয়, এ খেলায় জনগণের প্রত্যাশা- ড্র৷ দুই নেত্রী পরস্পরের আমন্ত্রণরক্ষা করলেই শুধু এ প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে৷ একদিন স্বসত্মিতে থাকতে পারে বাংলাদেশ৷
পুনশ্চ: এতদিন ঈদকার্ড ও ইংরেজি-বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাকার্ডসহ দুই নেত্রী পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানাতেন ডাকযোগে; কখনও বা বাহক মারফত৷ এবার তারা এক ধাপ এগিয়ে ইফতারের আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন দলীয় নেতাদের মাধ্যমে৷ আরেকটু এগিয়ে দুই নেত্রী কি পরস্পরকে টেলিফোনেও ইফতার পার্টির আমন্ত্রণ জানাতে পারেন না? সময় কিন্তু এখনও ফুরিয়ে যায়নি৷ http://www.amadershomoy1.com/content/2011/08/01/news0964.htm

No comments:
Post a Comment