লেখক: আব্দুল্লাহ আল মামুন "ঐ দেখা যায় দূর আকাশে ঊঠল রোজার চাঁন ৷ মিনার হতে বাঁজল ধ্বনি এলোরে রমজান"বছর ঘোরে আবার আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে পবিত্র মাহে রমজান৷ রমজান এসেছে মুসলমানদেরকে পবিত্র করার জন্য ৷ একটি বছর মানুষ যে পাপ পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত ছিল তা থেকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য ৷ মানুষকে তাকওয়ার গুনে গুনান্বিত করার জন্য ৷ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন, "তোমাদের জন্য রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনিভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিল আশা করা যায় তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারবে'' সূরা-বাকারা-১৮৩ ৷ এই তাকওয়া শব্দের অর্থ হল আল্লাহ ভীতি ও আল্লাহ প্রীতি৷ এই ভীতি হবে সে পিতা পুত্রের সম্পর্কের মত, ছেলে যদি স্কুল পালায় তাহলে সে পিতার সামনে উপস্থিত হতে ভয় পাবে এবং পিতাও সন্তানের অপরাধের কারণে তাকে শাস্তি দিবে এই ভয় ও শাস্তি আপেক্ষিক ,স্থায়ী নয় ৷
আসলেই রমজান আসলে মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অন্যান্য মাসের চেয়ে বেশি চেষ্টা করে ৷ সমাজ জীবনে এক বিরাট পরিবর্তন দেখা যায় ৷ মসজিদ গুলোতে মুসলি্ল ভরপুর হয়ে যায় ৷ তারাবীর নামাজ আদায়ের দৃশ্যটি সত্যিই লক্ষ্য করার মত যে, লোকটি সারা বছর নামাজ আদায় করেনা সে লোকটি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে তারাবীর নামাজ আদায় করছে, গভীর রাতে উঠে সেহেরী গ্রহণ করছে, নফল ইবাদতের মাধ্যমে সময় ব্যয় করেছে ৷
কবির ভাষায়"চাঁদের বয়স এক হল দুই হল, রহমতের সময় বয়ে যায় ৷ পাল্টে গেছে দিনের কর্মসূচী মানুষ এখন রাতেই খানা খায় ৷ মানুষের স্বাভাবিক দৈনন্দিন রুটিন পরিবর্তন হয়ে যায় রমজানে মানুষ দান খয়রাত করে অনেক বেশি যাকাত পরিশোধ করে আন্তরিক ভাবে ৷ সব মিলিয়ে একটি ইসলামী সমাজের কিছুটা নিদর্শন রমজান মাসে লক্ষ্য করা যায় ৷
হাদীসে এসেছে, "হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলে করীম (সঃ) কে বলতে শুনেছি, যে লোক একদিন আল্লাহর পথে রোজা রাখবে আল্লাহ তার মুখমন্ডল জাহান্নাম হতে সত্তর বত্সর দূরে সরিয়ে রাখবেন," বোখারী ৷আল্লাহ বলেন, রোযা আমার জন্য এর প্রতিদান আমার হাতেই দেব ৷ এই ভাবে একদিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা অন্যদিকে বান্দার পক্ষ থেকে ক্ষমা পাওয়ার আখাংকা সব মিলিয়ে রমজান হয়ে ঊঠে মর্যদায় ভরপুর সূ-উচ্চ এক আলোর মিনারে ৷
কিন্তু কেন এই মর্যাদা রমজানের , সেই মর্যাদার কারণ হল এই মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে ৷পবিত্র কোরআনে সূরা বাকারার ১৮৫ আয়াতে আল্লাহ পাক বলেন, রমজান মাস, এই মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে মানুষের হেদায়েতের জন্য ৷ শুধু কোরআন নয় তাওরাত, ইঞ্জিল, যাবুর সহ সকল আসমানী কিতাবও এই রমজানেই নাযিল হয়েছে ৷ কোরআন নাযিল হয়েছে মানুষকে চিরস্থায়ী আলোর পথ দেখানোর জন্য, কিন্তু মানুষই সেই বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করেনা
কোরআনের সাথে যদি মানুষের সম্পর্ক বৃদ্ধি পায় তাহলে মানুষের মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে, মর্যাদা বাড়বে৷ সেই কাঠটির মত যে কাঠ খুব কম মূল্যের, যেটি দিয়ে কোরআন রাখার রেয়াল তৈরী করা হয় ৷ সেই রেয়ালটি রাখা হয় সব সময় মাথার উপরে, সেই জোজদানের মত সে জোজদানটি কোরআনের সাথে লাগার কারনে হাত থেকে পড়ে গেলে সাথে সাথে তুলে নিয়ে চুমু খেয়ে বুকের সাথে লাগানো হয় ৷ আল্লাহ আমাদেরকে রমজানের এই মাসে কোরআনের আলোয় যেন নিজেদেরকে আলোকিত করতে পারি সেই তাওফিক দান করুন ৷ আমিন
আসলেই রমজান আসলে মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অন্যান্য মাসের চেয়ে বেশি চেষ্টা করে ৷ সমাজ জীবনে এক বিরাট পরিবর্তন দেখা যায় ৷ মসজিদ গুলোতে মুসলি্ল ভরপুর হয়ে যায় ৷ তারাবীর নামাজ আদায়ের দৃশ্যটি সত্যিই লক্ষ্য করার মত যে, লোকটি সারা বছর নামাজ আদায় করেনা সে লোকটি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে তারাবীর নামাজ আদায় করছে, গভীর রাতে উঠে সেহেরী গ্রহণ করছে, নফল ইবাদতের মাধ্যমে সময় ব্যয় করেছে ৷
কবির ভাষায়"চাঁদের বয়স এক হল দুই হল, রহমতের সময় বয়ে যায় ৷ পাল্টে গেছে দিনের কর্মসূচী মানুষ এখন রাতেই খানা খায় ৷ মানুষের স্বাভাবিক দৈনন্দিন রুটিন পরিবর্তন হয়ে যায় রমজানে মানুষ দান খয়রাত করে অনেক বেশি যাকাত পরিশোধ করে আন্তরিক ভাবে ৷ সব মিলিয়ে একটি ইসলামী সমাজের কিছুটা নিদর্শন রমজান মাসে লক্ষ্য করা যায় ৷
হাদীসে এসেছে, "হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলে করীম (সঃ) কে বলতে শুনেছি, যে লোক একদিন আল্লাহর পথে রোজা রাখবে আল্লাহ তার মুখমন্ডল জাহান্নাম হতে সত্তর বত্সর দূরে সরিয়ে রাখবেন," বোখারী ৷আল্লাহ বলেন, রোযা আমার জন্য এর প্রতিদান আমার হাতেই দেব ৷ এই ভাবে একদিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা অন্যদিকে বান্দার পক্ষ থেকে ক্ষমা পাওয়ার আখাংকা সব মিলিয়ে রমজান হয়ে ঊঠে মর্যদায় ভরপুর সূ-উচ্চ এক আলোর মিনারে ৷
কিন্তু কেন এই মর্যাদা রমজানের , সেই মর্যাদার কারণ হল এই মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে ৷পবিত্র কোরআনে সূরা বাকারার ১৮৫ আয়াতে আল্লাহ পাক বলেন, রমজান মাস, এই মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে মানুষের হেদায়েতের জন্য ৷ শুধু কোরআন নয় তাওরাত, ইঞ্জিল, যাবুর সহ সকল আসমানী কিতাবও এই রমজানেই নাযিল হয়েছে ৷ কোরআন নাযিল হয়েছে মানুষকে চিরস্থায়ী আলোর পথ দেখানোর জন্য, কিন্তু মানুষই সেই বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করেনা
কোরআনের সাথে যদি মানুষের সম্পর্ক বৃদ্ধি পায় তাহলে মানুষের মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে, মর্যাদা বাড়বে৷ সেই কাঠটির মত যে কাঠ খুব কম মূল্যের, যেটি দিয়ে কোরআন রাখার রেয়াল তৈরী করা হয় ৷ সেই রেয়ালটি রাখা হয় সব সময় মাথার উপরে, সেই জোজদানের মত সে জোজদানটি কোরআনের সাথে লাগার কারনে হাত থেকে পড়ে গেলে সাথে সাথে তুলে নিয়ে চুমু খেয়ে বুকের সাথে লাগানো হয় ৷ আল্লাহ আমাদেরকে রমজানের এই মাসে কোরআনের আলোয় যেন নিজেদেরকে আলোকিত করতে পারি সেই তাওফিক দান করুন ৷ আমিন
No comments:
Post a Comment