Wednesday, October 19, 2011

Message on a Necklace


A Message on a Necklace is a smart choice because you can impress that special person by writing a meaningful message tailored to their needs. The message is attached it to a magnificent sterling silver necklace of your choice. We carry a range of popular styles to suit a variety of tastes.

The message is printed on a piece of paper at 1.5cm-4cm and inserted into a glass vial. The glass vial is attached to a sterling silver necklace. To ensure that the recipient can read the message, a large version of the message is mounted on a beautifully presented keepsake necklace box. With a Message on a Necklace, that special person is reminded of your meaningful message as they wear it close to their heart each day.

Monday, October 10, 2011

Svenska bingosajter

Online Bingo har blivit mycket populärt i Sverige. Totalt omsätter bingo nästan 20 miljarder om årligen om man räknar med bingolotto, bingohallar och föreningsbingo. Online bingo i Sverige har slått stort framförallt hos en yngre publik i Sverige jämfört med andra länder. Svenska spelare är väldigt nogranna med att hitta den rätta bingosajten att spela på. Flera större aktörer har misslyckat att etablera sig i Sverige eftersom Svenskar vii ha Svenska Bingosajter och bra chatrum på svenska.

Saturday, August 27, 2011

ইতেকাফের ফজিলত ও গুরুত্ব




‘ইতেকাফ’ আরবি শব্দ। এর অর্থ অবস্থান করা, নিজেকে কোনো স্থানে আবদ্ধ করে রাখা। আর শরিয়তের পরিভাষায় কতগুলো বিশেষ শর্তসাপেক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মসজিদে অবস্থান করাকে ইতেকাফ বলে।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানবজাতিকে একমাত্র তাঁর ইবাদত-বন্দেগির জন্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন, ‘আমি মানুষ এবং জিন জাতিকে একমাত্র আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি।’ কাজেই মানবজাতির কর্তব্য হলো আল্লাহপাকের ইচ্ছাকে পূর্ণ করা-- কাজকর্মে, আচার- ব্যবহারে, কথাবার্তায়, ব্যবসা-বাণিজ্যে, দিনে-রাতে অর্থাৎ সর্বক্ষণ সর্বাবস্থায় আল্লাহর রেজামন্দি হাসিল করা, তাঁর ইবাদতে মশগুল থাকা।

ফরজ ইবাদত ছাড়া আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যেসব ইবাদত করা হয় তার মধ্যে ইতেকাফ একটি অন্যতম ইবাদত। আত্মার উৎকর্ষ সাধনের জন্য সব ধরনের কুপ্রবৃত্তি দমন করে যেমন-- অনর্থক কাজ, অশ্লীল কথাবার্তা, সংসার, স্ত্রী, পুত্র, বাড়িঘর, ব্যবসা-বাণিজ্য তথা সব ধরনের দুনিয়াদারির কাজকর্ম পরিত্যাগ করে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের জন্য তাঁর দরবারে দিনরাত্রি পড়ে থাকাই ইতেকাফের মূল লক্ষ্য।

হজরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসের শেষ ১০ দিন ইতেকাফ করবে সে দুটি ওমরাহ ও দুটি হজ আদায় করার সওয়াব পাবে।’
হজরত আয়েশা (রা.) আরো বলেন, ‘নবী করিম (সা.) রমজানের শেষ ১০ দিন ইতেকাফ পালন করতেন। তাঁর ওফাতের আগ পর্যন্ত তিনি ইতেকাফ পালন করে গেছেন। তারপর তাঁর পত্নীরাও তা পালন করেছেন।’ হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত,  ইতেকাফকারী নিজেকে পাপ থেকে মুক্ত রাখে এবং তাঁর জন্য পুণ্যসমূহ জারি রাখা হয়। (মিশকাত)

অন্য এক হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি একদিন ইতেকাফ করে আল্লাহপাক তাঁর এবং জাহান্নামের মধ্যে তিন খন্দক দূরত্বের ব্যবধান রাখবেন। এই দূরত্ব হবে আসমান ও জমিনের দূরত্বের চেয়েও অধিক।

ইতেকাফের গুরুত্ব : ২০ রমজানুল মুবারক সূর্যাস্তের কিছুক্ষণ আগে থেকে ২৯ অথবা ৩০ রমজান অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার সূর্যাস্ত পর্যন্ত পুরুষদের জন্য মসজিদে এবং নারীদের জন্য নিজ গৃহে নামাজের নির্ধারিত স্থানে নিয়মিত একাধারে অবস্থান করাকে ইতেকাফ বলে। রমজানের শেষ দশ দিনের এই ইতেকাফ সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কেফায়া। অর্থাৎ কোনো বস্তি বা মহল্লার একজনকে হলেও এই ইতেকাফ অবশ্যই করতে হবে। যদি অন্তত কোনো এক ব্যক্তি এই ইতেকাফ করে নেন, তাহলে সারা মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে ইতেকাফ আদায় হবে; কিন্তু মহল্লাবাসীর মধ্যে থেকে কেউ যদি ইতেকাফ আদায় না করেন, তবে এই দায়িত্বের প্রতি অবহেলার কারণে মহল্লাবাসী গুনাহগার হবেন। কাজেই সব মহল্লাবাসীর ওপর এই দায়িত্ব অর্পিত হয় যে, আগে থেকে তারা খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন, তাদের এলাকার মসজিদে কেউ ইতেকাফ করবে কিনা। যদি এমন পাওয়া না যায়, তাহলে চিন্তাভবনা ও আলাপ-আলোচনা সাপেক্ষে ইতেকাফে বসাতে হবে। কিন্তু স্মরণ রাখতে হবে, উজরত অর্থাৎ বিনিময় বা পারিশ্রমিক দিয়ে কাউকে ইতেকাফে বসানো জায়েজ নয়। কেননা ইবাদতের উজরত দেওয়া ও নেওয়া উভয়ই শরিয়তের দৃষ্টিতে নাজায়েজ ও হারাম (শামী)। ইতেকাফকারী যেন তার নিজ শরীর ও সমুদয় সময়কে আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দেন।

ইতেকাফ অবস্থায় ইতেকাফকারী সার্বক্ষণিক নামাজের সওয়াব পেয়ে থাকেন। যেহেতু মসজিদ আল্লাহর ঘর, সেহেতু ইতেকাফকারী আল্লাহর প্রতিবেশী বা আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে যান। ইতেকাফের ফজিলত অনেক বেশি। রমজান মাসের শেষ ১০ দিন ইতেকাফ করলে ২৭ রমজান যদি শবে কদর না-ও হয়, তবু এ ১০ দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট শবে কদরের ইবাদত ইতেকাফে আদায় হয়ে যায় এবং এর ফলে কদরের রাতের ফজিলতও লাভ করা যায়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা অন্তত এক দিন এক রাত ইতেকাফ করবে, তাদেরও জাহান্নামের মাঝখানে এরূপ তিনটি খন্দক আড় হবে, যার প্রত্যেকটির প্রশস্ত হবে ৫০০ বছরের রাস্তা।

ইতেকাফ অবস্থায় মানুষ আল্লাহর সম্মুখে এমনভাবে হাজির হয়ে থাকে যে, দুনিয়ার কোনো কিছুর প্রতিই তার খেয়াল থাকে না। তিনি তখন মৃত ব্যক্তির মতোই নিজেকে আল্লাহর মর্জির ওপর সঁপে দেন। মানুষ যতক্ষণ ইতেকাফ অবস্থায় থাকে ততক্ষণ তার প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদত হিসেবে লেখা হয়। তার ঘুম, খাওয়া-দাওয়া, প্রতিটি নড়াচড়া পর্যন্ত ইবাদতে গণ্য হয়।

ইতেকাফে নবীয়ে করিম (সা.)-এর বিশেষ আকর্ষণ ছিল। তিনি প্রতি বছর রমজান মাসের ইতেকাফের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করতেন। তিনি কখনো পুরো রমজান মাস ইতেকাফ করেছেন। ১০ দিনের ইতেকাফ তো তিনি প্রতি বছর অবশ্যই করতেন। একবার বিশেষ কারণে রমজান শরিফে ইতেকাফ করতে পারেননি, তাই শাওয়াল মাসে ১০ দিন রোজা রেখে তিনি ইতেকাফ করেছেন (বুখারি শরিফ)।

কিছু লোক মসজিদের জন্য খুঁটি হয়ে যান (অর্থাৎ এরা সর্বদাই মসজিদে অবস্থান করে)। ফেরেশতারা মসজিদে এরূপ মুমিনের সঙ্গী হয়ে যান। এরূপ লোকেরা যদি কখনো মসজিদে অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে ফেরেশতারা তাঁদের অনুসন্ধান করেন, অসুস্থ হলে তাঁদের দেখতে যান এবং তাঁদের কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে ফেরেশতারা তাঁদের সাহায্য করেন।

ইতেকাফের ফজিলত শুধু পুরুষদের জন্য খাস নয়। নারীরাও এই ফজিলতে শরিক হতে পারেন। কিন্তু নারীদের মসজিদে ইতেকাফ করা উচিত নয়। তারা ইতেকাফ নিজ গৃহে করতে পারেন। তারা ঘরের নামাজ ও ইবাদতের জন্য যে স্থানটি আলাদা করে রাখা আছে, সে জায়গায় ইতেকাফে বসে যাবেন। যদি আগে থেকে ঘরে এমন স্থান নির্দিষ্ট করা না থাকে তাহলে ইতেকাফের আগে ঘরে একটি স্থান করে নেবেন এবং সেখানেই ইতেকাফ করবেন। (শামী)
নারী বিবাহিত হলে ইতেকাফের জন্য স্বামীর অনুমতি নিতে হবে। স্বামীর অনুমতি ছাড়া তাদের জন্য ইতেকাফ করা জায়েজ নয়। (শামী) কিন্তু স্বামীর উচিত হলো স্ত্রীকে অনুমতি দেওয়া এবং বিনা কারণে তাদের ইতেকাফ থেকে বঞ্চিত না করা।

নারীদের ইতেকাফের জন্য হায়েজ ও নেফাস থেকে মুক্ত থাকা জরুরি। যদি কোনো নারী ইতেকাফ শুরু করেন, অতঃপর ইতেকাফ থাকা অবস্থায় হায়েজ শুরু হয়ে যায়, তাহলে হায়েজ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইতেকাফ ছেড়ে দেওয়া তার ওপর ওয়াজিব। এমতাবস্থায় যেদিন ইতেকাফ ছাড়বেন, শুধু সেদিনের ইতেকাফ কাজা আদায় করা তার ওপর ওয়াজিব হবে। কাজা আদায় করার নিয়ম হলো হায়েজ থেকে পবিত্র হওয়ার পর যে কোনো দিন রোজা রেখে ইতেকাফ করবেন। যদি রমজান মাসের দিন বাকি থাকে তাহলে রমজানেও কাজা আদায় করতে পারবেন।

নারীরা ঘরের যে স্থান ইতেকাফের জন্য নির্দিষ্ট করবেন, সে স্থানটি ইতেকাফকালীন তার জন্য মসজিদের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবে। ইসলামী শরিয়তের কোনো প্রয়োজন ছাড়া সেখান থেকে সরে যাওয়া জায়েজ হবে না। সে স্থানটির নির্দিষ্ট সীমার বাইরে, ঘরের অন্য অংশেও যেতে পারবেন না। নির্দিষ্ট সীমার বাইরে চলে গেলে ইতেকাফ ভঙ্গ হয়ে যাবে।

পুরুষের যেমন ইতেকাফ করতে চাইলে নিয়ত করতে হয়, রোজা রাখতে হয়, সুস্থ হতে হয়, কোনো নির্দিষ্ট মসজিদে অবস্থান করতে হয়, তেমনি নিজ গৃহে ইতেকাফকালীন নারীদের জন্যও এসব শর্ত সমানভাবে প্রযোজ্য।

লেখক : কলামিস্ট
ই-মেইল : karimmahishahporan@yahoo.com

বাংলাদেশ সময় ২১১৫ ঘণ্টা, আগস্ট ২৪, ২০১১

Tuesday, August 2, 2011

আহলান সাহলান মাহে রমযান

স্টাফ রিপোর্টার : আহলান সাহলান মাহে রমযান। দেশের বিভিন্নস্থানে রমযান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ মঙ্গলবার থেকে মুসলমানদের রোজা শুরু হলো। দীর্ঘ এগারটি মাসের পাপ পঙ্কিল থেকে মুক্ত হওয়ার অপূর্ব সুযোগ এনে দেয় পবিত্র রমযান। রোজা ইসলামের মৌলিক ইবাদাতের মধ্যে অন্যতম।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে নতুন মাস গণনা শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা কক্ষে বৈঠক শেষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শাহজাহান মিয়া সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে কমিটির সভা শুরু হয়। বৈঠকে ধর্মসচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা সালাহ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার রাতে এশার নামাযের পরপরই মসজিদে মসজিদে মুসল্লিরা জামাতে তারাবির নামায আদায় করেন। মসজিদে মসজিদে খতম তারাবিও শুরু হয়েছে। ভোররাতে সেহরী খেয়ে রোজা শুরু করেন রোজাদাররা। সন্ধ্যায় ইফতারীর মাধ্যমে শেষ হবে রোজা।
ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হল রোজা। কালের পরিক্রমার পথ ধরে মুসলিম উম্মাহর কাছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বারতা নিয়ে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমযান। আল্লাহর বিশেষ করুণা ও  দয়ার অপার সুযোগের মাস মাহে রমযান। দীর্ঘ এগারটি মাসের পাপ পঙ্কিল থেকে মুক্ত হওয়ার অপূর্ব সুযোগ এনে দেয় পবিত্র রমযান। রোজা ইসলামের মৌলিক ইবাদাতের মধ্যে অন্যতম। আর এ রোজা পবিত্র রমযান মাসেই আমাদের ওপর ফরয করা হয়েছে।
আল্লাহ পাক রমযান মাসের রোজা ফরয করেছেন এবং এর রাতগুলোতে আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে নফল ইবাদত রূপে সুনির্দিষ্ট করেছেন। মুসলমানের আত্মশুদ্ধি অর্জনের একটি উপায় হচ্ছে। রোজা শুধু সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপবাস নয়, বরং রোজার অর্থ হল সব জাগতিক আরাম-আয়েশ থেকে দেহ-মনকে রক্ষা করা। আর এ মাসেই মহাগ্রন্থ আল কুরআন অবতীর্ণ হয়েছিল।
মাহে রমযান উপলক্ষে
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
বাণী
রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান পবিত্র রমযান উপলক্ষে বাণী প্রদান করেছেন। এতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘‘সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস পবিত্র মাহে রমযান আমাদের মাঝে সমাগত। অশেষ রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের এই মাসে আমি দেশবাসীসহ বিশ্ব সম্প্রদায়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই। মাহে রমযান আত্মশুদ্ধি ও ক্ষমা লাভের অপার সুযোগ নিয়ে প্রতিবছর আমাদের কাছে হাজির হয়। এ মাস মহান আল্লাহর নৈকট্যলাভ, রহমত ও শান্তি এবং ক্ষমা লাভের অপূর্ব সুযোগ এনে দেয়। সিয়াম ধনী-গরীব সকলের মাঝে পারস্পরকি সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করে। আমি আশা করি সবাই রমযানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য অনুধাবন করে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে এর প্রতিফলন ঘটাবেন। রমযানের শিক্ষা সমাজের সকল স্তরে প্রতিফলিত হোক এই প্রার্থনা করি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র রমযান উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে বলেছেন, ‘‘পবিত্র রমযান উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর প্রতি জানাই আমার আন্তরিক মোবারকবাদ। আত্মসংযম, অনুকম্পা ও ক্ষমা লাভের মাস রমযান। এ মাসে ত্যাগ স্বীকারের শিক্ষার মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ হয়। পবিত্র রমযানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগ-বিলাস, হিংসা-দ্বেষ, উচ্ছৃক্মখলতা ও পারস্পরিক সংঘাত পরিহার করে ব্যক্তিগত ও সমাজ জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আহবান জানাই। মহান আল্লাহ আমাদের ব্যক্তিগত এবং জাতীয় জীবনে পবিত্র রমযানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। তথ্য বিবরণী


রমযান উপলক্ষে শুভেচ্ছা বাণী
হিংসা বিদ্বেষ হানাহানি
পরিহার করে সমাজে শান্তি
বজায় রাখুন
-বেগম খালেদা জিয়া
পবিত্র মাহে রমযান উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপার্সন, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর সবাইকে জানান আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলমান রমযান মাসে সিয়াম সাধনার মধ্যদিয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য আত্মার পরিশুদ্ধির প্রশিক্ষণে নিয়োজিত হয়। সারা দিন সকল ধরনের পানাহার থেকে মুক্ত হয়ে মোমিন মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করেন। অন্যায়, জুলুম, অবিচার এবং লোভ-লালসাসহ সকল ধরনের পাপকাজ থেকে বিরত থাকার এক মহান শিক্ষা দেয় মাহে রমযান। এ শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে নিজেদেরকে পবিত্র মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদেরকে ব্রতী হতে হবে। অনাচার, হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি পরিহার করে সমাজে শান্তি বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকা প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য। মাহে রমযান প্রতিটি মুসলমানের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি-সুখের বার্তা, সবার জীবন হয়ে উঠুক মঙ্গলময়, মহান আল্লাহ রাববুল আলামীনের দরবারে তিনি এ প্রার্থনা জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি


রমযানের পবিত্রতা রক্ষায় জামায়াতের আহবান
মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষা এবং তাকওয়াভিত্তিক চরিত্র গঠনের মাধ্যমে আত্মগঠনের জন্যে সযত্ন প্রচেষ্টা চালাবার আহবান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম গতকাল সোমবার যুক্ত বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে মাহে রমযান আবার সমাগত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এ মাসের প্রথম অংশ রহমতের, মধ্যবর্তী অংশ মাগফিরাতের, শেষ অংশ নাজাতের। এ মাসের শেষ দশ দিনের মধ্যে রয়েছে একটি বরকতময় রাত যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ মাসে একটি ফরজ কাজ আঞ্জাম দিলে অন্য মাসের ৭০টি ফরজ কাজের সমান সওয়াব পাওয়া যায়; আর ১টি নফল কাজের আঞ্জাম দিলে ফরজ কাজের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায়। এ মাস সবর ও পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীলতার মাস।
দলমত নির্বিশেষে সব মুসলমান ভাইবোনের প্রতি কুরআন নাযিলের এ মাসটি পূর্ণ মর্যাদাসহকারে পরিপূর্ণ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করার জন্য নেতৃদ্বয় আহবান জানান।
মাহে রমযানের রোজার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে আত্মবিশ্লেষণ করে আল্লাহর নিকট থেকে সওয়াব লাভের আশায় মহববতের সাথে রোজা পালনের এবং রমযানের গুরুত্ব ও ফজিলত সংক্রান্ত হাদিসগুলো শুরুতেই অধ্যয়ন করে নেয়ার জন্যে তারা সকলের প্রতি আহবান জানান।
নেতৃদ্বয় বলেন, পবিত্র এ রমযান মাস কুরআন নাজিলের মাস। কুরআন মানবজাতির প্রতি আল্লাহ তায়ালার সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। কুরআন থেকে হেদায়াত লাভের জন্য যে মনমানসিকতা ও চরিত্রের প্রয়োজন, সেই মন ও চরিত্র সৃষ্টির জন্য আল্লাহ তায়ালা মাহে রমযানের রোজা পালনকে আমাদের প্রতি ফরজ করেছেন। এক মাসব্যাপী রোযা পালনের মাধ্যমে সে লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হওয়ার জন্য তারা সকলের প্রতি আহবান জানান।
এ মাসে বেশি বেশি নেক আমল, কুরআন-হাদিস ও ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন এবং রমযানের পবিত্রতা রক্ষা করে যথার্থভাবে সিয়াম সাধনা করার লক্ষ্যে যাবতীয় বেহায়াপনা ও অশ্লীলতা থেকে সমাজকে রক্ষার জন্য নেতৃদ্বয় দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান। সেই সাথে প্রতিবেশী ও দরিদ্র রোজাদারদের ইফতার করানোর মাধ্যমে সওয়াব হাসিল করার জন্য সচ্ছল ও বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানান।
রোজাদারদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের পরিচয় দিয়ে আইন-শৃক্মখলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রব্যমূল্য কমানো, পর্যাপ্ত পরিমাণ গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা সরকারের প্রতি আহবান জানান। সেই সাথে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং অধিক মুনাফা লাভের মানসিকতা পরিহার করার জন্য তারা দেশের ব্যবসায়ী মহলের প্রতি আহবান জানান।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=59814 

Monday, August 1, 2011

পরীক্ষার নাম আমন্ত্রণরক্ষা ৷৷ দুই নেত্রী পরীক্ষার্থী, জনগণ পরীক্ষক



আবু হাসান শাহরিয়ার:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া পরস্পরকে দলীয় ইফতার পার্টিতে আমন্ত্রণ করেছেন৷ রাজনৈতিক শিষ্টাচার হিসেবে বিষয়টি ইতিবাচক হলেও খবর হিসেবে গৌণ৷ ততক্ষণ পর্যনত্ম গৌণ, যতক্ষণ না দুই নেত্রীর কোনও একজন আমন্ত্রণরক্ষা করছেন৷ গৌণ খবরটিই তখন হয়ে উঠবে শীর্ষ খবর৷ আর দুই নেত্রীই আমন্ত্রণরক্ষা করলে তো কথা নেই- পূরণ হবে জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা৷ এরকম একটি খবর বাংলাদেশের মানুষকে একদিনের জন্য হলেও স্বসত্মিতে রাখবে৷ স্বসত্মির বাতাস বইবে আমাদের গুমোট রাজনীতিতেও৷

এবার প্রাসঙ্গিক অন্য কথা-

৪ আগস্ট বিএনপির এবং ৬ আগস্ট আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টি মূলত জোটগতভাবে দল দুটির শক্তিপ্রদর্শনের মহড়া৷ সেই মহড়ায় একজন আরেকজনকে আমন্ত্রণ জানিয়ে দুই নেত্রী পরস্পরকে পরীক্ষায় ফেলেছেন৷ প্রথম আমন্ত্রণটি এসেছে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে এবং মিডিয়ায়ও বিএনপির ইফতার পার্টির ঘোষণাই আগে এসেছে৷ অনতিপরবর্তীকালে আওয়ামী লীগও দলের ইফতার পার্টির ঘোষণা দেয় এবং দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ এবার পুরো বিষয়টি একটু বিশেস্নষণ করা যাক৷ মুজিবকন্যা শেখ হাসিনাকে রীতিমতো অগি্নপরীক্ষায় ফেলেছেন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া৷ কেমন? এ যেন টাইব্রেকারের পর সাডেন ডেথে খেলার নিষ্পত্তি- কিক মিস করলে প্রথম দলের মহা বিপত্তি- খেলা চলে যাবে প্রতিপক্ষের পায়ে৷ তখন গোল করতে পারলেই দ্বিতীয় দলের জয় (তবে না-করতে পারলে প্রথম দল আবার সুযোগ পাবে)৷ অর্থাত্‍ ইফতার-রাজনীতিতে জয়ী হতে চাইলে ৪ আগস্ট আমন্ত্রণরক্ষা করে বিএনপির ইফতার পার্টিতে হাজির না-থেকে উপায় নেই মুজিবকন্যার৷ তিনি যদি আমন্ত্রণরক্ষা না-করেন, বল চলে যাবে প্রতিপক্ষের দখলে- আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টিতে হাজির হলেই খালেদা জিয়া জয়ী৷

তবে একজনের জয় অন্যজনের পরাজয় নয়, এ খেলায় জনগণের প্রত্যাশা- ড্র৷ দুই নেত্রী পরস্পরের আমন্ত্রণরক্ষা করলেই শুধু এ প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে৷ একদিন স্বসত্মিতে থাকতে পারে বাংলাদেশ৷

পুনশ্চ: এতদিন ঈদকার্ড ও ইংরেজি-বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাকার্ডসহ দুই নেত্রী পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানাতেন ডাকযোগে; কখনও বা বাহক মারফত৷ এবার তারা এক ধাপ এগিয়ে ইফতারের আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন দলীয় নেতাদের মাধ্যমে৷ আরেকটু এগিয়ে দুই নেত্রী কি পরস্পরকে টেলিফোনেও ইফতার পার্টির আমন্ত্রণ জানাতে পারেন না? সময় কিন্তু এখনও ফুরিয়ে যায়নি৷ http://www.amadershomoy1.com/content/2011/08/01/news0964.htm

Saturday, July 30, 2011

"রমজান সূ-উচ্চ এক আলোর মিনার''

        লেখক:  আব্দুল্লাহ আল মামুন

"ঐ দেখা যায় দূর আকাশে ঊঠল রোজার চাঁন ৷ মিনার হতে বাঁজল ধ্বনি এলোরে রমজান"বছর ঘোরে আবার আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে পবিত্র মাহে রমজান৷ রমজান এসেছে মুসলমানদেরকে পবিত্র করার জন্য ৷ একটি বছর মানুষ যে পাপ পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত ছিল  তা থেকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য ৷ মানুষকে তাকওয়ার গুনে গুনান্বিত করার জন্য ৷ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন, "তোমাদের জন্য রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনিভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিল আশা করা যায় তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারবে'' সূরা-বাকারা-১৮৩ ৷ এই তাকওয়া শব্দের অর্থ হল আল্লাহ ভীতি ও আল্লাহ প্রীতি৷ এই ভীতি হবে সে পিতা পুত্রের  সম্পর্কের মত, ছেলে যদি স্কুল পালায় তাহলে সে পিতার সামনে উপস্থিত হতে ভয় পাবে এবং পিতাও সন্তানের অপরাধের কারণে তাকে শাস্তি দিবে এই ভয় ও শাস্তি আপেক্ষিক ,স্থায়ী নয় ৷

আসলেই রমজান আসলে মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অন্যান্য মাসের চেয়ে বেশি চেষ্টা করে ৷ সমাজ জীবনে এক বিরাট পরিবর্তন দেখা যায় ৷ মসজিদ গুলোতে মুসলি্ল ভরপুর হয়ে যায় ৷ তারাবীর নামাজ আদায়ের দৃশ্যটি সত্যিই লক্ষ্য করার মত যে, লোকটি সারা বছর নামাজ আদায় করেনা সে লোকটি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে তারাবীর নামাজ আদায় করছে, গভীর রাতে উঠে সেহেরী গ্রহণ করছে, নফল ইবাদতের মাধ্যমে সময় ব্যয় করেছে ৷


    কবির ভাষায়"চাঁদের বয়স এক হল দুই হল, রহমতের সময় বয়ে যায় ৷ পাল্টে গেছে দিনের কর্মসূচী মানুষ এখন রাতেই খানা খায় ৷ মানুষের স্বাভাবিক দৈনন্দিন রুটিন পরিবর্তন হয়ে যায় রমজানে মানুষ দান খয়রাত করে অনেক বেশি যাকাত পরিশোধ করে আন্তরিক ভাবে ৷ সব মিলিয়ে একটি ইসলামী সমাজের কিছুটা নিদর্শন রমজান মাসে লক্ষ্য করা যায় ৷

হাদীসে এসেছে, "হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলে করীম (সঃ) কে বলতে শুনেছি, যে লোক একদিন আল্লাহর পথে রোজা রাখবে আল্লাহ তার মুখমন্ডল জাহান্নাম হতে সত্তর বত্‍সর দূরে সরিয়ে রাখবেন," বোখারী ৷আল্লাহ বলেন, রোযা আমার জন্য এর প্রতিদান আমার হাতেই দেব ৷ এই ভাবে একদিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা অন্যদিকে বান্দার পক্ষ থেকে ক্ষমা পাওয়ার আখাংকা সব মিলিয়ে রমজান হয়ে ঊঠে মর্যদায় ভরপুর সূ-উচ্চ এক আলোর মিনারে ৷


     কিন্তু কেন এই মর্যাদা রমজানের , সেই মর্যাদার কারণ হল এই মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে ৷পবিত্র কোরআনে সূরা বাকারার ১৮৫ আয়াতে আল্লাহ পাক বলেন, রমজান মাস, এই মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে মানুষের হেদায়েতের জন্য ৷ শুধু কোরআন নয় তাওরাত, ইঞ্জিল, যাবুর সহ সকল আসমানী কিতাবও এই রমজানেই নাযিল হয়েছে ৷ কোরআন নাযিল হয়েছে মানুষকে চিরস্থায়ী আলোর পথ দেখানোর জন্য, কিন্তু মানুষই সেই বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করেনা


        কোরআনের সাথে যদি মানুষের সম্পর্ক বৃদ্ধি পায় তাহলে মানুষের মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে, মর্যাদা বাড়বে৷ সেই কাঠটির মত যে কাঠ খুব কম মূল্যের, যেটি দিয়ে কোরআন রাখার রেয়াল তৈরী করা হয় ৷ সেই রেয়ালটি রাখা হয় সব সময় মাথার উপরে, সেই জোজদানের মত সে জোজদানটি কোরআনের সাথে লাগার কারনে হাত থেকে পড়ে গেলে সাথে সাথে তুলে নিয়ে চুমু খেয়ে বুকের সাথে লাগানো হয় ৷ আল্লাহ আমাদেরকে রমজানের এই মাসে কোরআনের আলোয় যেন নিজেদেরকে আলোকিত করতে পারি সেই তাওফিক দান করুন ৷ আমিন

Saturday, July 23, 2011

B. News Site - Category Page

B. News Site - Category Page

ভোটযুদ্ধের আগেই জোটযুদ্ধ

  সোহেল হায়দার চৌধুরী:  ভোটযুদ্ধের আড়াই বছর আগেই জোটযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। এ যুদ্ধে স্ব-স্ব শিবিরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া। এরই অংশ হিসেবে দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি ছোট ছোট রাজনৈতিক দল ও সমমনাদের কাছে টানা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ব্যক্তিত্ব ও গণমাধ্যম প্রতিনিধির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া দল দুটি তাদের জোটে থাকা মিত্রদের সঙ্গেও দূরত্ব কমিয়ে আনারও পদক্ষেপ নিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন মহাজোটের ঐক্য ধরে রাখার পাশাপাশি সিপিবি, বাসদ, এলডিপি, কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ, বিকল্পধারা, আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জাতীয় পার্টি এবং জাসদসহ বেশ কয়েকটি দলকে জোটে আনার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের এবং সমমনা অন্যান্য দলের সঙ্গেও তারা পর্যায়ক্রমে যোগাযোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে মহাজোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, তাও কমিয়ে আনতে চায় আওয়ামী লীগ। এ নিয়ে ইতোমধ্যেই তাদের ১৪ দলের শরিক জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, ন্যাপ এবং গণতন্ত্রী পার্টির নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। গণতন্ত্রী পার্টির নেতা মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম হত্যাকা-ের বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অংশগ্রহণও এ প্রক্রিয়ারই অংশ বলে জানা গেছে।
এদিকে বিএনপির নেতৃত্বে জোট বিস্তৃত করার কর্মপ্রক্রিয়াও এগিয়ে চলেছে জোরেশোরে। দলটির শীর্ষ নেতারা এরই মধ্যে বিকল্পধারা প্রধান অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, এলডিপি প্রধান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এবং কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ প্রধান বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়া তারা জাসদের একাংশের প্রধান আ স ম আবদুর রব, কল্যাণ পার্টির প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) ইব্রাহিম এবং পিডিপি প্রধান ফেরদৌস আহমদ কোরেশীর সঙ্গেও কথা বলেছেন। এর আগে বিএনপি সমমনা এনডিপি, জাগপা, ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ ন্যাপ এবং ভাসানী ন্যাপসহ বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে গাঁটছাড়া বেড়েছে। নতুন জোটযুদ্ধ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ জানান, মহাজোটের ঐক্য ও পরিধি আরো বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বাস্তবতার কারণে মহাজোটে কিছুটা দূরত্ব সৃষ্টি হলেও আদর্শ ও চেতনার দিক দিয়ে জোটের দলগুলো বরাবরই পরস্পরের মিত্র। সেই মিত্রতা আরো গভীর করার জন্য তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যায়যায়দিনকে জানান, বিকল্পধারা এবং এলডিপিসহ সমমনা বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে তাদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। আলোচনা হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কিন্তু আওয়ামী লীগের ওপর আস্থাশীল নয়, এমন সংগঠনগুলোর সঙ্গেও। তবে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে জোটের সম্প্রসারণ বা কর্মসূচির ক্ষেত্রে অন্যদের একাত্মতার বিষয়টি। দেশের সুশীল সমাজের সঙ্গেও মতবিনিময়ের বিষয়টি বিএনপির বিবেচনায় রয়েছে।
জানা গেছে, বিগত নির্বাচনে শতকরা ৪৯ শতাংশ ভোট পেয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করে। অন্যদিকে ৩৩ দশমিক ২ ভাগ ভোট পেয়ে ভরাডুবি হয় বিএনপির। ভোটের অঙ্কে ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৪৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শতকরা ৭ ভাগ ভোট পেয়ে ২৭টি আসনে জয়লাভ করে এরশাদের জাতীয় পার্টি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ৩৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪ দশমিক শূন্য ৬ ভাগ ভোট পেয়ে ২টি আসন লাভ করে। ২০০১ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ২৮০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শতকরা ৭ দশমিক ২২ ভাগ ভোট পেয়ে আসন পায় ১৪টি। একই নির্বাচনে জামায়াত ৩১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪ দশমিক ২৮ ভাগ ভোট পেলেও আসন পায় ১৭টি।
এসব কারণে ভোট ও জোটের অঙ্কে আওয়ামী লীগের কাছে জাতীয় পার্টি এবং বিএনপির কাছে জামায়াতের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই এরশাদকে জোটে ধরে রাখতে যতটা মরিয়া আওয়ামী লীগ, ঠিক ততটাই জামায়াতের ক্ষেত্রেও বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের জোট নিশ্চিত থাকলেও আওয়ামী লীগ ঠিক ততটা নিশ্চিন্ত নয় এরশাদকে নিয়ে। বাংলাদেশের রাজনীতির 'আনপ্রেডিক্টেবল' হিসেবে পরিচিত সাবেক এই রাষ্ট্রপতি যে কোনো দিকেই ঝুঁকতে পারেন।
তাই বর্তমান মিত্রদের ধরে রেখে পুনরায় জোট সংগঠিত ও সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে আওয়ামী লীগ। জোটের বাইরে তারা ছোট ছোট রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এরই অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ওবায়দুল কাদের ১৪ দলীয় জোটের বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে কথা বলেছেন। এছাড়া গত মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন বিকল্পধারার একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বি চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেন। গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের এবং সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রধান বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের যায়যায়দিনকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তিনি কয়েকটি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সঙ্গে তার আলাপ হয়েছে এবং বি চৌধুরীর বিকল্পধারা ও কর্নেল (অব.) অলি আহমদের এলডিপির সঙ্গেও যোগাযোগ চলছে।
এই উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের জানান, তাদের কিছু চ্যালেঞ্জিং বিষয় এসে গেছে। তারা আসলে প্রতিকূল সময় অতিক্রম করছেন। তবে ক্রাইসিসকে অপরচুনিটিতে রূপান্তর করা যায়। ঐক্যকে আরো সুদৃঢ় এবং সমপ্রসারণ করেই তা করতে হবে। মূল ভিত্তি হবে, মিনিমাম পয়েন্টে ম্যাক্সিমাম ঐক্য। কৌশলগত ঐক্যের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, একসঙ্গে কাজ করার জন্য কমন গ্লোরি রক্ষা এবং কমন ডেঞ্জার মোকাবেলার লক্ষ্যে কমন গ্রাউন্ড খুঁজতে হবে। তাই জোট সমপ্রসারণের চেষ্টার পাশাপাশি মহাজোটের শরিকদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ দূর করারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম অবশ্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বাতিল করে দিয়েছেন। তার মতে, বর্তমানে দেশের রাজনীতি এমন এক পর্যায়ে পেঁৗছেছে যে, বিএনপির কাছাকাছি অবস্থান করছে আওয়ামী লীগ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের পঞ্চম সংশোধনীর বেশ কিছু মৌলিক বিষয় আওয়ামী লীগ গ্রহণ করেছে। এছাড়া জেনারেল এরশাদের রাষ্ট্রধর্মের বিষয়টিও তারা গ্রহণ করেছে। সুতরাং সমমনা দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কীভাবে জোটবদ্ধ হতে পারে, সেই ব্যাপারে দল দুটির এখন গবেষণা ও চেষ্টা করা উচিত। অবশ্য একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে বেশ কিছু ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপির রাজনৈতিক মিত্র হিসেবে সিপিবি কাজ করতে আগ্রহী হতে পারে।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি আ স ম আবদুর রব যায়যায়দিনকে জানান, বিএনপি-আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গেই টেলিফোনে কথা হয়। কিন্তু রাজনৈতিক জোট বা একসঙ্গে আন্দোলন করার মতো সময় এখনো আসেনি। যে নেতা যত কথাই বলুক, শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে কেউ কথা না বললে কিংবা তারা কাউকে না পাঠালে সেসব কথার কোনো গুরুত্ব নেই।
 http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=162&cat_id=1&menu_id=1&news_type_id=1&index=0 

Friday, July 22, 2011

মাত্র ৬ হাজার টাকায় সন্তান বিক্রি



বগুড়া, ২২ জুলাই (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বগুড়ায় অভাবের তাড়নায় মাত্র ৬ হাজার টাকায় ১২ দিনের ফুটফুটে পুত্র সন্তানকে বিক্রি করলেন জন্মদাত্রী মা। বগুড়া শহরতলীর পালশা আর্দশ গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর মোকছেদ বৃহস্পতিবার সন্তানটি কিনে নেন। পুত্র সন্তানের আকাঙ্খা পূরণের জন্য ১২ দিন বয়সী এ সন্তানটি কিনে নেন তিনি। এখন থেকে এই সন্তানটি মোকছেদের ঘরেই বড় হবে। ভবিষ্যতে তার জন্মদাত্রী মা কোনো দাবি করতে পারবে না মর্মে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিও করেছেন দিনমজুর মোকছেদ।
জানা গেছে, বগুড়ার ট্রাক চালক এমদাদুল যশোরে ট্রাক নিয়ে গেলে সেখানে পরিচয় হয় নুপুর (২০) নামের এক মেয়ের সঙ্গে। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে গিয়ে একে অপরের প্রেমে পড়ে যান তারা। কিন্তু এমদাদের প্রতারণার ফাঁদে আটকা পড়ে যায় নুপুর। প্রতারক এমদাদুল তার স্ত্রী-সন্তান থাকা স্বত্ত্বেও মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নুপুরকে বিয়ের কথা বলে গভীর সর্ম্পক গড়ে তোলে। একপর্যায় নুপুরকে বিয়ে করে বগুড়ায় নিয়ে আসে ট্রাক চালক এমদাদুল।
এদিকে বাবা-মা'র নিষেধ উপেক্ষা করে বগুড়ার অপরিচিত ছেলেকে বিয়ে করায় নুপুরের সঙ্গে সর্ম্পক ছিন্ন করে তার পরিবার। এমদাদুল নুপুরকে বগুড়ায় নিয়ে এসে শহরের নাটাইপাড়ার (বউ বাজার) একটি বাড়িতে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই ফাঁস হয়ে পড়ে এমদাদুলের প্রতারণার বিষয়টি। নুপুর জেনে যায় এমদাদুলের আরেক স্ত্রী এবং সন্তানের কথা। এনিয়ে দু'জনের মধ্যে দেখা দেয় মনমালিন্য। এরইমধ্যে নুপুর অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়ে। এর কিছুদিন পর এমদাদুল নুপুরের কাছে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়। এক সময়ের প্রাণপ্রিয় মানুষটি কোনো খোঁজ খবর না নেয়ায় মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে নুপুরের। ধীরে ধীরে গর্ভের সন্তানও বড় হতে থাকে। পেটে সন্তান নিয়ে নপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে হন্য হয়ে খুঁজে বেড়ায় প্রতারক স্বামী এমদাদুলকে। কিন্তু এমদাদুলের সঠিক কোনো ঠিকানা না থাকায় সে কোথাও দেখা পায়না তার। শেষপর্যন্ত মানুষের বাড়িতে ঝি'য়ের কাজ নিয়ে গর্ভের সন্তানকে বড় করে তোলে নুপুর। এভাবে কেটে যায় আরও ৭/৮ মাস।
বাচ্চা প্রসবের সময়ে বাড়ির মালিক প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং খাবার কিনে দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। ১০ জুলাই ভাড়া বাড়িতেই নুপুর প্রসব করে ফুটফুটে এক পুত্র সন্তান। সন্তান জন্ম দিয়ে খুশি হওয়ার বদলে বরং আরও দিশেহারা হয়ে পড়ে নুপুর। সন্তান লালন পালন করবে না কি নিজের খাবার যোগাড় করবে এ নিয়ে সে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। বাড়ির মালিকের ঘরেই খাওয়া-দাওয়া চলে কয়েক দিন। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? বাড়ি মালিকের আয়ও সীমিত। তাই অভাব অনটনে পড়ে বাধ্য হয়ে সন্তান বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় নুপুর। বাড়ির মালিকের সহযোগিতায় খুঁজে পায় পুত্র সন্তানহীন দিন মজুর মোকছেদকে। আলাপ আলোচনা চূড়ান্ত করে বুধবার সন্ধ্যায় আদরের সন্তানকে নিয়ে যায় মোকছেদের বাড়িতে। সেখানে রাতযাপনের পর বৃহস্পতিবার ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে আদরের সন্তানকে তুলে দেয় মোকছেদের স্ত্রীর কোলে। ভবিষ্যতে আর যেন সন্তানের দাবি করতে না পারে এজন্য গুচ্ছ গ্রামের লোকজনের উপস্থিতিতে নুপুরের সঙ্গে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি করে দিনমজুর মোকছেদ।
বৃহস্পতিবার পালশা গুচ্ছগ্রামে গিয়ে দেখা পাওয়া যায় মোকছেদের স্ত্রীর। সন্তান কেনার কথা জিজ্ঞেস করতেই কাপড়ে মুখ ঢেকে চলে যায় অন্য দিকে। এরপর মুহূর্তের মধ্যে সন্তানটিকে সরিয়ে রাখে অন্যত্র। সাংবাদিক এসেছে শুনে অনেক নারী পুরুষ জমে যায় সেখানে।
গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, এই শহরে অনেক বড় লোক থাকলেও কেউ এগিয়ে আসেনি নুপুরের পাশে। কিন্তু দিনমজুর মোকছেদ সন্তানটি কিনে নেয়ায় তাকে যেন ঝামেলায় পড়তে না হয়, কোনো আইন যেন তার সন্তানকে কেড়ে না নেয় এই দাবি সকলের। মোকছেদের স্ত্রী নিজের নাম বলতে অস্বীকার করে বলেন, ছেলের আশায় আশায় আমার ঘরে এখন ৪টি মেয়ে। তাই পালন করার জন্য নিয়েছি এই ছেলে সন্তানকে। টাকা দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন ওই মহিলা অভাবে পড়েই আমার কাছে সন্তান নিয়ে এসেছে। তার খরচের জন্য ৬ হাজার টাকা দিয়েছি।
স্ট্যাম্পে লিখিত নেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার অভাব অনটনের সংসারে এই সন্তানকে কষ্ট করে বড় করার পর যেন তার মা কোনো দাবি করতে না পারে সেজন্যই লিখিত নেয়া হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/প্রতিনিধি/মাবি/৪.১৪ঘ.)

Thursday, July 21, 2011

 মিরসরাই দুর্ঘটনার সেই ট্রাকচালক মফিজ গ্রেপ্তার


চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মর্মান্তিকভাবে নিহতের ঘটনায় পলাতক সেই ট্রাকচালক জসিম উদ্দিন ওরফে মফিজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার দিকে বরিশালের কাউনিয়া থানার বাটনাগ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হাসান জানান, মফিজকে মিরসরাই আনা হচ্ছে।
ওসি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মফিজের এক ভাগনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে চট্টগ্রামের বন্দরটিলা এলাকায় বাস করেন। পুলিশ জানতে পেরে গতকাল বুধবার রাতে তাঁদের বাসায় হানা দেয়। রাতভর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সকাল পাঁচটার দিকে ওই ভাগনির স্বামী জানান, বরিশালে তাঁদের গ্রামের বাড়িতে মফিজ লুকিয়ে রয়েছেন। এরপর মিরসরাই থানা-পুলিশের অনুরোধে কাউনিয়া থানা-পুলিশ মফিজকে গ্রেপ্তার করে।
১১ জুলাই ফুটবল খেলা দেখে ট্রাকে করে বাড়ি ফেরার পথে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে ডোবায় পড়ে যায়। এতে ৩৮ জন ছাত্রসহ ৪০ জন মারা যায়। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার সৈদালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে চালক নয়, সহকারী (হেলপার) মফিজ ট্রাকটি চালাচ্ছিলেন। ট্রাকটি পানিতে পড়ার আগেই তিনি লাফিয়ে নেমে পালিয়ে যান।
মায়ানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির নিজামী বাদী হয়ে চালক মফিজকে আসামি করে মামলা করেন।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-07-21/news/171894 

Wednesday, July 20, 2011

"স্মৃতি শুধু বেদনার" -




 
লেখক-মোঃ নুর দুলাল









আগুয়ান হে মীরসরাই বাসী-
'৫২ থেকে '৭১ অবদান রেখেছে রাশি রাশি,
জন্ম দিয়েছ শত জ্ঞানিগুণি শত মনীষী
হেঁটেছ, খেটেছ গ্রামে গঞ্জে কাজ করেছ দিবানিশী৷
স্বপ্ন দেখেছ আবিস্কারের জ্বেলেছ শিক্ষার আলো
,
পিছনে ছুড়ে ফেলে এসেছ সকল ব্যর্থতা আর অমানিশার কালো৷
১১ই জুলাই/১১ইং এর ক্ষনিকের ঝড়ে আজ তোমরা নিথর
, নিস্তব্দ,
নেই ভাষা
, নেই জ্ঞান নেই কোন শব্দ,
বেদনার শান্তনা কে দেবে কাকে-
শোকের মাতম চলছে ঘরে ঘরে অাঁকে-বাঁকে
,
একটু আগে যে শিশুটি ছিল সরব কলরব
,
নিমিষে হয়ে গেল সব নিস্তব্দ নীরব
,
ভাইয়ের কাঁদে ভাই আর বাবার কাঁদে ছেলের লাশ
,
কাঁদে মানুষ
, কাঁদে পাখী, কাঁদে আকাশ-বাতাস,
ক্ষনিকের অমানিশা কেড়ে নিল অর্ধশতাধিক তাজা প্রান
,
কে দিবে সুর
, আর কে গাইবে বেদনার গান৷
আমরা মীরসরাই বাসী আজীবন বীরের জাতি
,
আছে যাদের শত শত আবিস্কার অর্জনের খ্যাতি
,
আজ
, মূহুর্তে নীভে গেল প্রজ্জ্বলিত উজ্জ্বলতার আলোকবাতি৷
কি করে বইবে বোঝা এত শত কচি লাশের
?
কে নিবে দায়ভার এত বড় সর্বনাশের
?
যে কচি প্রান একদিন হত ডাক্তার
, মন্ত্রি, ইঞ্জিনিয়ার,
আজ সে হয়ে গেল "স্মৃতি শুধু বেদনার"৷

Tuesday, July 19, 2011

IndustryStock.com

When you opened the brick and mortar retail shop, chances are you planned for a grand opening or ribbon cutting. Marketing and advertising to get the word out about your new business was probably one of your top concerns. Marketing online is just as important for a retail store.

Don't just sit there watching cob webs gather on your website. Whether you sell products online or have a one-page website, there are many ways to generate more in-store traffic from your online presence. Increase exposure online with these Internet marketing tips for your retail store.http://www.industrystock.com/

Sunday, July 17, 2011

hello there,

i am a astudent in computer engineering (my first year) and i have to write a simple car racing game before this term finishes.
but i dont have any idea about how can i do this.
because i am so new at c programming and i know only these: basic i/o commands, functions, pointers, arrays (a little) and structures (a little).

game must have this features:

car must go to horizon,
road mustn't be straight ahead,
race against the time,
and scores must be written in a file on disk.
http://www.cargames365.org/

Inspirational Quotes

From time to time we all feel down and out. We find that we need extra inspiration and motivation to keep us going. Somtimes it can be something as simple as inspirational quotes to help us get back on our feet.

Love Quotes for Him

You have completed six months of courtship and planning to celebrate it. Surprise your partner by conveying these love quotes for him. Get the special gift and attach the most passionate quotations for him with it. Your sweetheart would surely be impressed with the unique expressions of love. Get one large wine or champagne bottle and get the quotes on love engraved on it. You can also, write these on cards and send it to your guy on Valentine's Day. Here are some very interesting love quotes for him -

http://www.1-love-quotes.com/user/abdulmomin84

Elizabeth Barrett Browning Quotes

Elizabeth Barrett Browning"How do I love thee? Let me count the ways. I love thee to the depth and breadth and height my soul can reach."
- Elizabeth Barrett Browning 

Cute Quotes

"It's OK to do cute little things like kissing a turtle, but you can't kiss another person because he's a different color? Give me a break. And you have to remember, I'm from Dallas, Texas."
 http://www.great-quotes.com/quotes/category/Cute

Inspirational Quotes

"Snowflakes are one of nature’s most fragile things, but just look what they can do when they stick together."

Inspirational Quotes

 
 "I know fear is an obstacle for some people, but it is an illusion to me . . . Failure always made me try harder next time."
- Michael Jordan

Saturday, July 16, 2011

Sad Quotes


"I have felt it and lived it and now it leaves me here, love is the ultimate pain and joy, without it you die with it you perish."

Life Quotes

“Just remember, the same as a spectacular Vogue magazine, remember that no matter how close you follow the jumps: Continued on page whatever. No matter how careful you are, there's going to be the sense you missed something, the collapsed feeling under your skin that you didn't experience it all. There's that fallen heart feeling that you rushed right through the moments where you should've been paying attention. Well, get used to that feeling. That's how your whole life will feel some day. This is all practice. None of this matters. We're just warming up.”

 Chuck Palahniuk quotes (American freelance Journalist, Satirist and Novelist. b.1961)

Life Quotes

“Just remember, the same as a spectacular Vogue magazine, remember that no matter how close you follow the jumps: Continued on page whatever. No matter how careful you are, there's going to be the sense you missed something, the collapsed feeling under your skin that you didn't experience it all. There's that fallen heart feeling that you rushed right through the moments where you should've been paying attention. Well, get used to that feeling. That's how your whole life will feel some day. This is all practice. None of this matters. We're just warming up.”Chuck Palahniuk quotes (American freelance Journalist, Satirist and Novelist. b.1961)